আব্দুর রাজ্জাক আশিক
ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার ধুনটে নাশকতার পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ধুনট উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ডলার (৪৩), পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চপল মাহমুদ (৩৮), ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক সুজন (৪০) এবং মথুরাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম (২৫)।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর রাতে উপজেলার ভুবনগাঁতী তিনমাথা এলাকায় মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতা রাজু আহম্মেদ বাদী হয়ে ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর থানায় মামলা করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে জাহাঙ্গীর হোসেন ডলারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরেক মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ধুনট শহীদ মিনার চত্বরে মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৯ ফেব্রুয়ারি পৌর যুবদল নেতা রিপন সেখ বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি চপল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৭ জুন পশ্চিম ভারশাহী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি শ্রমিকদল নেতা আশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনী গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আরিফুল ইসলামকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, এসব মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আব্দুর রাজ্জাক আশিক ধুনট , বগুড়া
মতামত