ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
আর এন টিভি বিডি

RN TV BD বাংলা

চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার


মোঃ নাঈম সরকার রিফাত
মোঃ নাঈম সরকার রিফাত
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার  দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার
চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার

এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিজের গাড়ির চালকের যোগসাজশে এক নারী ও তাঁর ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে ওই নারীর গাড়িচালকও রয়েছেন। পরে গ্রেপ্তার এক আসামির দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে লুট হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে দাউদকান্দি উপজেলার হুগুলিয়া সাকিন্থ মারকাজ মসজিদের সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। রোকেয়া আক্তার (৪১) তাঁর ছেলে ও গাড়িচালককে নিয়ে নিজস্ব প্রাইভেটকারে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা তিনজন দুষ্কৃতকারী রামদা, সুইচগিয়ার, ছুরি ও চাকুসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে গাড়ির গতিরোধ করে।

এ সময় গাড়িচালক দরজা খুলে দিলে অস্ত্রধারীরা রোকেয়া আক্তার ও তাঁর ছেলেকে জিম্মি করে। পরে তাঁকে মারধর করে তাঁর পরিহিত স্বর্ণালংকার ও ব্যবহৃত স্মার্টফোন নিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, লুট হওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে এক জোড়া চুড়ির ওজন প্রায় এক ভরি ছয় আনা, একটি চেইনের ওজন এক ভরি এক আনা দুই রতি এবং একটি পাশার ওজন এক আনা পাঁচ রতি। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এছাড়া স্মার্টফোনটির আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর দাউদকান্দি মডেল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনায় গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায়।

অভিযানে দাউদকান্দির স্বল্পপেন্নাই এলাকা থেকে ভুক্তভোগীর গাড়িচালক আলমগীর (৩৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর সুরমা থানার কালিতারা এলাকা থেকে মো. আরমান আলী (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম জাানান, আরমান আলীর দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর বসতবাড়ির গোয়ালঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় লুট হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Image

বিষয় : চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

আর এন টিভি বিডি

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image


এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিজের গাড়ির চালকের যোগসাজশে এক নারী ও তাঁর ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে ওই নারীর গাড়িচালকও রয়েছেন। পরে গ্রেপ্তার এক আসামির দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে লুট হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে দাউদকান্দি উপজেলার হুগুলিয়া সাকিন্থ মারকাজ মসজিদের সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। রোকেয়া আক্তার (৪১) তাঁর ছেলে ও গাড়িচালককে নিয়ে নিজস্ব প্রাইভেটকারে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা তিনজন দুষ্কৃতকারী রামদা, সুইচগিয়ার, ছুরি ও চাকুসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে গাড়ির গতিরোধ করে।

এ সময় গাড়িচালক দরজা খুলে দিলে অস্ত্রধারীরা রোকেয়া আক্তার ও তাঁর ছেলেকে জিম্মি করে। পরে তাঁকে মারধর করে তাঁর পরিহিত স্বর্ণালংকার ও ব্যবহৃত স্মার্টফোন নিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, লুট হওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে এক জোড়া চুড়ির ওজন প্রায় এক ভরি ছয় আনা, একটি চেইনের ওজন এক ভরি এক আনা দুই রতি এবং একটি পাশার ওজন এক আনা পাঁচ রতি। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এছাড়া স্মার্টফোনটির আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর দাউদকান্দি মডেল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনায় গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায়।

অভিযানে দাউদকান্দির স্বল্পপেন্নাই এলাকা থেকে ভুক্তভোগীর গাড়িচালক আলমগীর (৩৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর সুরমা থানার কালিতারা এলাকা থেকে মো. আরমান আলী (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম জাানান, আরমান আলীর দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর বসতবাড়ির গোয়ালঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় লুট হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।


আর এন টিভি বিডি

আপনার প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য RN TV-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি
চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার
0:00 0:00
1.0x