প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদক ও প্রাইভেটকার ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ
||
সিসিটিভি ফুটেজে ধরা, হাতীবান্ধায় ৪ পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজডস্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদারলালমনিরহাট | ২৪ জুলাই ২০২৫লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের চালান ও প্রাইভেটকার ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গোপন চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নেওয়া এই অনৈতিক সমঝোতার বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ পেয়েছে।এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ তথা ক্লোজড করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার। তিনি জানান, একই সঙ্গে তাদের লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন— হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যৌথ অভিযান চালান ওই চার কর্মকর্তা। সেখান থেকে একটি প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হলেও আলামত থানায় না নিয়ে তারা ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে আটককৃত যানবাহন ও মাদক ছেড়ে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটির প্রমাণ মেলে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে এএসআই আব্দুল হাকিম ইউপি কর্মচারীর ফোন থেকে ফুটেজ মুছে ফেলার চেষ্টাও করেন। পরদিন ভবানীপুর গ্রামে অন্য একটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের তীব্র বাধার মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হয় পুলিশ। এরপরই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।হাতীবান্ধা থানার ওসি জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই ওই চার কর্মকর্তাকে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি