প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
জুলাই যেন চট্টগ্রাম-কর্মজীবীদের পেটে লাথি৷ চাকরি হারা শত শত শ্রমিক,, প্রতিবাদ দক্ষিণ জেলা সভাপতি সেলিম
||
স্টাফ রিপোর্টার ইব্রাহিম হাওলাদার বর্তমানে করখানার বন্ধ শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের দাবিতে শ্রমিক অধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিবাদ উন্নয়নের চাকচিক্য আর প্রতিশ্রুতির ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কান্না। একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে এখন তৈরি হয়েছে বেকারত্বের এক ভয়াবহ হাহাকার। ইসলামী ব্যাংক ও এস আলম গ্রুপের আওতাধীন বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর হাজার হাজার শ্রমিক এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।সম্প্রতি এই অমানবিক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম।এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “জুলাইয়ের এই পরিস্থিতি যেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মজীবী মানুষের পেটে সরাসরি লাথি মারার সামিল! আজ হাজার হাজার মানুষ চাকরি হারিয়ে দিশেহারা। তারা এখন নিঃস্ব, অসহায়। অথচ এই বেকারদের হাহাকার আর্তনাদ শোনার মতো কেউ নেই।”তিনি আরও বলেন, “আমরা কাগজে-কলমে উন্নয়নের কোনো ফাঁকা গল্প শুনতে চাই না। দেশের খেটে খাওয়া মানুষ কারো দয়া চায় না; আমরা নিজেদের হাড়ভাঙা শ্রম দিয়ে মাথা উঁচু করে সম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই। কিন্তু কর্মসংস্থান ছিনিয়ে নিয়ে আমাদের সেই মৌলিক অধিকারটুকুই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।”বর্তমানে বেকারত্বের হার বেড়েই চলছে। নেতার প্রশ্ন, “কেন জুলাই নাম ভাঙ্গাইয়া শ্রমিকের পেটে লাথি মারা হচ্ছে?”*কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি*শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষকে অনাহারে রেখে কোনো স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। অবিলম্বে যদি বেকার হওয়া হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেওয়া না হয়, তবে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের শ্রমজীবী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি