লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ:
“আব্বু, আমার কষ্ট শেষ হয় না কেন? আমি কখন বাড়ি যাব?” ৫ বছরের ছোট্ট শিশু কাজী রাফসান আয়ানের এই করুণ প্রশ্নের কোনো উত্তর জানা নেই তার বাবা কাজী সোহেল রানার। রংপুর জেলার তারাগঞ্জ থানাধীন সয়েরকাজী পাড়ার নিবাসী শিক্ষিত ব্যবসায়ী কাজী সোহেল রানার ঘর আলো করে এসেছিল ফুটফুটে শিশু সন্তান কাজী রাফসান। কিন্তু নিদারুণ নিয়তির নির্মম পরিহাসে মাত্র ৫ বছর বয়সেই শিশুটির শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ক্যান্সার। দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সাথে পাঞ্জা লড়ছে ছোট্ট রাফসান। সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটে বেরিয়েছেন বাবা-মা। দীর্ঘদিন ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসা চালানোর পর বর্তমানে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। একসময় যিনি সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেই কাজী সোহেল রানা আজ সন্তানের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিঃস্ব। টানা এক বছরের চিকিৎসা, কেমোথেরাপি আর ওষুধের পেছনে জমানো সঞ্চয় ও অর্জিত লক্ষ লক্ষ টাকা শেষ হয়ে গেছে। এখন অর্থাভাবে থমকে যেতে বসেছে অবোধ শিশুটির চিকিৎসা। ডাক্তাররা আশার আলো দেখালেও, নিয়মিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো কোনো আর্থিক সামর্থ্য আর পরিবারের কাছে অবশিষ্ট নেই।
আপনার-আমার সামান্য সহানুভূতি ও ভালোবাসাই পারে ফুটফুটে এই শিশুটিকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে। ৫ বছরের শিশু কাজী রাফসানের আবার
মতামত