ঢাকা    রোববার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
আর এন টিভি বিডি

রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার


প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে সবুজবাগের দক্ষিণগাঁও এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নিলুফার ইয়াসমিন (২৯) ও শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ডেমরা বাঁশেরপুল এলাকার একটি বাসা থেকে নাসরিন আক্তার (২৬) নামে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত​ নিলুফার ইয়াসমিন কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বিরিছিল গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। তাঁর স্বামী আনোয়ার হোসেন বর্তমানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর আগে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নিলুফারের বিয়ে হয়। তাঁদের ঘরে ১০ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ মসজিদের বিপরীত পাশের একটি বাড়ির ৩য় তলার ফ্ল্যাটে সন্তানদের নিয়ে ভাড়া থাকতেন নিলুফার। বড় ছেলে আরাফাত একটি আবাসিক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। স্বামী আনোয়ার হোসেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

​তিনি আরও জানান, নিলুফার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় ছেলের মাদ্রাসার পড়াশোনা ঠিকমতো করত না। এ ছাড়া আর্থিক টানাপোড়েনসহ পারিবারিক বিভিন্ন কারণে নিলুফা দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। ​খবর পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শায়খ খসরু জানান, খবর পেয়ে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ডেমরা বাঁশেরপুলে নতুনপাড়ার বাসার দুইতলা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহ শায়িত অবস্থায় ছিল। এরপর সুরতহাল প্রতিবেদন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই আরও জানান, তিনি বাঁশেরপুলের ওই বাসায় প্রাইভেটকার চালক স্বামী মো. পলাশের সঙ্গে থাকতেন। রাতে ঘরের জানানলার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁসি দেন নাসরিন আক্তার। দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা নিজেরাই মরদেহ নামিয়ে নিচে রাখে। এরপর থানায় খবর দেয়। অন্য কোনো ঘটনা আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া স্বামী পলাশকে থানায় এনে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।

মৃত নাসরিন আক্তারের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার রাজাপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম ইকবাল হোসেন।

বিষয় : মরদেহ ঢাকা বিভাগ লাশ পুলিশ রাজধানী উদ্ধার

আর এন টিভি বিডি

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে সবুজবাগের দক্ষিণগাঁও এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নিলুফার ইয়াসমিন (২৯) ও শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ডেমরা বাঁশেরপুল এলাকার একটি বাসা থেকে নাসরিন আক্তার (২৬) নামে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত​ নিলুফার ইয়াসমিন কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বিরিছিল গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। তাঁর স্বামী আনোয়ার হোসেন বর্তমানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর আগে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নিলুফারের বিয়ে হয়। তাঁদের ঘরে ১০ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ মসজিদের বিপরীত পাশের একটি বাড়ির ৩য় তলার ফ্ল্যাটে সন্তানদের নিয়ে ভাড়া থাকতেন নিলুফার। বড় ছেলে আরাফাত একটি আবাসিক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। স্বামী আনোয়ার হোসেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

​তিনি আরও জানান, নিলুফার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় ছেলের মাদ্রাসার পড়াশোনা ঠিকমতো করত না। এ ছাড়া আর্থিক টানাপোড়েনসহ পারিবারিক বিভিন্ন কারণে নিলুফা দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। ​খবর পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শায়খ খসরু জানান, খবর পেয়ে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ডেমরা বাঁশেরপুলে নতুনপাড়ার বাসার দুইতলা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহ শায়িত অবস্থায় ছিল। এরপর সুরতহাল প্রতিবেদন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই আরও জানান, তিনি বাঁশেরপুলের ওই বাসায় প্রাইভেটকার চালক স্বামী মো. পলাশের সঙ্গে থাকতেন। রাতে ঘরের জানানলার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁসি দেন নাসরিন আক্তার। দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা নিজেরাই মরদেহ নামিয়ে নিচে রাখে। এরপর থানায় খবর দেয়। অন্য কোনো ঘটনা আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া স্বামী পলাশকে থানায় এনে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।

মৃত নাসরিন আক্তারের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার রাজাপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম ইকবাল হোসেন।


আর এন টিভি বিডি

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ নাঈম সরকার রিফাত
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি
রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x