ঢাকা    রোববার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
আর এন টিভি বিডি

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে পুলিশের বড় অভিযান, মবের ভয়ে পিছুটান


প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে পুলিশের বড় অভিযান, মবের ভয়ে পিছুটান
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে পুলিশের বড় অভিযান, মবের ভয়ে পিছুটান

অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলার সন্দিগ্ধ ও একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেককে আটক করতে ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। তবে ব্যাপক প্রস্তুতি সত্ত্বেও মবের ভয়ে পিছুটান দিতে হলো।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার নিউমার্কেট এলাকার একটি বহুতল ভবন দুই ঘণ্টা ঘিরে রেখেও শেষপর্যন্ত মীর তারেককে আটক না করেই খালি হাতে ফিরতে হয় পুলিশকে।

শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পুলিশ বাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে রাখেন; কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে আটকে ভবনটির উপরে উঠতে সাহস করেনি পুলিশ। অভিযানিক দলে আরএমপির ক্রাইসিস রেসপন্স টিমও (সিআরটি) অংশ নেয়।

এদিকে পুলিশ যখন ভবনটি ঘিরে ফেলে তা টের পেয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মীর তারেক নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ শুরু করেন। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের ভবনটির সামনে জড়ো হয়ে তাকে মুক্ত করতে আহ্বান জানান। দেশে কি আইন নাই, দেশে কি বিচার  নাই, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে, পুলিশ ডাকলে নিজেই হাজির হতেন, তাকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে, আপনারা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন- ইত্যাদি বলে মীর তারেক কান্নাকাটি শুরু করেন ফেসবুক লাইভে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মীর তারেকের ফেসবুক লাইভ শুরুর  আধঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মোটরসাইকেলে তার অনুসারীরা  জড়ো হয়ে যান ভবনের সামনে। ঘটনাস্থলে মব পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ রাত দেড়টার দিকে মীর তারেককে আটক না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পুলিশ ভবনের সামনে থেকে সরে গেলে মাথায় হেলমেট পরে ও গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে সহযোগীদের নিয়ে উধাও হয়ে যান স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচিত এই নেতা। এ সময় তারেকের অনুসারীরা গণমাধ্যমের কোনো ফটো ও ভিডিওগ্রাফারসহ কোনো সাংবাদিকদের ভবনের কাছে যেতে দেয়নি।

ভবনের আশপাশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি ছিল কোনো ফিল্মের শেষ দৃশ্যের মতোই রোমাঞ্চ ও উত্তেজনাকর। ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ ভিড় করেন রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকায়। মীর তারেককে ধরতে পুলিশের অভিযানের খবর রোববার রাজশাহীতে টক অব দ্য সিটিতে পরিণত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২১ জুন নগরীর শাহমখদুম থানার ছায়ানীড় আবাসিক এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে গুলিবিদ্ধ হন ফয়সাল হোসেন বাঁধন নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এককর্মী। বাঁধন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের মোটরসাইকেল চালক হিসেবে সমধিক পরিচিত। ভাড়া নিয়ে গত দুই বছর ধরে বাসাটির পঞ্চম তলায় বসবাস করছিলেন রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক আলী। ভবনের ছাদটি ছিল মীর তারেকের ডেরা হিসেবে পরিচিত। এই ছাদের উপরেই দলীয়সহ তার সব কর্মকাণ্ড চলে আসছিল।

জানা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে আরএমপির শাহমখদুম থানা পুলিশ, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও সিআইডির বিশেষ টিম তারেকের ডেরায় গিয়ে গুলিবিদ্ধ বাঁধনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পাশাপাশি মীর তারেকের বাসার ছাদ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, গুলিভর্তি ম্যাগাজিন, হাতবোমা ও কিছু বিস্ফোরক জব্দ করেন। ঘটনার দিন রাতে শাহমখদুম থানার এসআই মমতাজ উদ্দিন বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করেন। তবে একজন গুলিবিদ্ধ ও ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, বোমা, গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার হলেও পুলিশ এজাহারে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেনি।

এদিকে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহমখদুম থানার এসআই আব্দুল্লাহ হিল কাফি মীর তারেকের ডেরা থেকে অস্ত্র গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং বাঁধনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ঘটনার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার সংশ্লিষ্টতা পান। ফলে উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মীর তারেককে আটকের অভিযানে নামে পুলিশ; কিন্তু শেষাবধি মবের ভয়ে তাকে আটক না করেই দুই ঘণ্টা পর রণে ভঙ্গ দেন পুলিশের বড় দলটি।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, মীর তারেকের বাড়ি নগরীর মালোপাড়ায়। তবে শাহমখদুম থানার ছায়ানীড়ের বাসাটির পঞ্চম তলাটি ব্যবহার করতেন দলীয় চেম্বার হিসেবে। বাসার ছাদটি ছিল তার মুল ডেরা। বাড়িটির মালিক নিউ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সাঈদ আল মারজুখের বাবার।

গত ২১ জুন সকালের দিকে যখন বাড়ির ছাদে গুলির ঘটনা ঘটে তখন তারেকসহ উপস্থিত তার বেশ কয়েকজন অনুসারী গুলিবিদ্ধ বাঁধনকে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে মীর তারেক আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার রাতে এক ছাত্রদল নেতার নিউমার্কেট এলাকার বাসার ছাদে তারেকের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আটকে অভিযানে নামে পুলিশের কয়েকটি টিম।

এদিকে রাতের ঘটনার পর থেকে মীর তারেকের মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।

শনিবার রাতের অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে আরএমপির শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন জানান, বাঁধনের গুলিবিদ্ধ ও অস্ত্র বিস্ফোরক উদ্ধার সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে মীর তারেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ওসি আরও জানান, গুলিবিদ্ধ বাঁধন এখনো চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে আরএমপির মুখপাত্র উপ-কমিশনার (ডিসি) গাজীউর রহমান জানান, রাতে মীর তারেককে নয়, অন্য একজন আসামিকে ধরতে অভিযান করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। ওই আসামির নাম প্রকাশ করেননি মুখপাত্র।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক গত বছরের ৭ মার্চ নগরীর দড়িখড়বোনা এলাকায় বিএনপির দুইপক্ষের গুলি বিনিময় ও বোমা হামলার ঘটনায় গোলাম হোসেন নামের একজন অটোচালক নিহতের ঘটনায় গোলামের স্ত্রী পরীবানুর দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। কোনো জামিন ছাড়াই এতদিন স্বাভাবিক চলাফেরা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। এরই মধ্যে তার বাসায় দলীয় কর্মী বাঁধন গুলিবিদ্ধ হন।

আর এন টিভি বিডি

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে পুলিশের বড় অভিযান, মবের ভয়ে পিছুটান

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলার সন্দিগ্ধ ও একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেককে আটক করতে ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। তবে ব্যাপক প্রস্তুতি সত্ত্বেও মবের ভয়ে পিছুটান দিতে হলো।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার নিউমার্কেট এলাকার একটি বহুতল ভবন দুই ঘণ্টা ঘিরে রেখেও শেষপর্যন্ত মীর তারেককে আটক না করেই খালি হাতে ফিরতে হয় পুলিশকে।

শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পুলিশ বাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে রাখেন; কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে আটকে ভবনটির উপরে উঠতে সাহস করেনি পুলিশ। অভিযানিক দলে আরএমপির ক্রাইসিস রেসপন্স টিমও (সিআরটি) অংশ নেয়।

এদিকে পুলিশ যখন ভবনটি ঘিরে ফেলে তা টের পেয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মীর তারেক নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ শুরু করেন। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের ভবনটির সামনে জড়ো হয়ে তাকে মুক্ত করতে আহ্বান জানান। দেশে কি আইন নাই, দেশে কি বিচার  নাই, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে, পুলিশ ডাকলে নিজেই হাজির হতেন, তাকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে, আপনারা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন- ইত্যাদি বলে মীর তারেক কান্নাকাটি শুরু করেন ফেসবুক লাইভে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মীর তারেকের ফেসবুক লাইভ শুরুর  আধঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মোটরসাইকেলে তার অনুসারীরা  জড়ো হয়ে যান ভবনের সামনে। ঘটনাস্থলে মব পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ রাত দেড়টার দিকে মীর তারেককে আটক না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পুলিশ ভবনের সামনে থেকে সরে গেলে মাথায় হেলমেট পরে ও গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে সহযোগীদের নিয়ে উধাও হয়ে যান স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচিত এই নেতা। এ সময় তারেকের অনুসারীরা গণমাধ্যমের কোনো ফটো ও ভিডিওগ্রাফারসহ কোনো সাংবাদিকদের ভবনের কাছে যেতে দেয়নি।

ভবনের আশপাশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি ছিল কোনো ফিল্মের শেষ দৃশ্যের মতোই রোমাঞ্চ ও উত্তেজনাকর। ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ ভিড় করেন রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকায়। মীর তারেককে ধরতে পুলিশের অভিযানের খবর রোববার রাজশাহীতে টক অব দ্য সিটিতে পরিণত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২১ জুন নগরীর শাহমখদুম থানার ছায়ানীড় আবাসিক এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে গুলিবিদ্ধ হন ফয়সাল হোসেন বাঁধন নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এককর্মী। বাঁধন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের মোটরসাইকেল চালক হিসেবে সমধিক পরিচিত। ভাড়া নিয়ে গত দুই বছর ধরে বাসাটির পঞ্চম তলায় বসবাস করছিলেন রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক আলী। ভবনের ছাদটি ছিল মীর তারেকের ডেরা হিসেবে পরিচিত। এই ছাদের উপরেই দলীয়সহ তার সব কর্মকাণ্ড চলে আসছিল।

জানা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে আরএমপির শাহমখদুম থানা পুলিশ, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও সিআইডির বিশেষ টিম তারেকের ডেরায় গিয়ে গুলিবিদ্ধ বাঁধনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পাশাপাশি মীর তারেকের বাসার ছাদ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, গুলিভর্তি ম্যাগাজিন, হাতবোমা ও কিছু বিস্ফোরক জব্দ করেন। ঘটনার দিন রাতে শাহমখদুম থানার এসআই মমতাজ উদ্দিন বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করেন। তবে একজন গুলিবিদ্ধ ও ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, বোমা, গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার হলেও পুলিশ এজাহারে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেনি।

এদিকে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহমখদুম থানার এসআই আব্দুল্লাহ হিল কাফি মীর তারেকের ডেরা থেকে অস্ত্র গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং বাঁধনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ঘটনার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার সংশ্লিষ্টতা পান। ফলে উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মীর তারেককে আটকের অভিযানে নামে পুলিশ; কিন্তু শেষাবধি মবের ভয়ে তাকে আটক না করেই দুই ঘণ্টা পর রণে ভঙ্গ দেন পুলিশের বড় দলটি।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, মীর তারেকের বাড়ি নগরীর মালোপাড়ায়। তবে শাহমখদুম থানার ছায়ানীড়ের বাসাটির পঞ্চম তলাটি ব্যবহার করতেন দলীয় চেম্বার হিসেবে। বাসার ছাদটি ছিল তার মুল ডেরা। বাড়িটির মালিক নিউ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সাঈদ আল মারজুখের বাবার।

গত ২১ জুন সকালের দিকে যখন বাড়ির ছাদে গুলির ঘটনা ঘটে তখন তারেকসহ উপস্থিত তার বেশ কয়েকজন অনুসারী গুলিবিদ্ধ বাঁধনকে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে মীর তারেক আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার রাতে এক ছাত্রদল নেতার নিউমার্কেট এলাকার বাসার ছাদে তারেকের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আটকে অভিযানে নামে পুলিশের কয়েকটি টিম।

এদিকে রাতের ঘটনার পর থেকে মীর তারেকের মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।

শনিবার রাতের অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে আরএমপির শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন জানান, বাঁধনের গুলিবিদ্ধ ও অস্ত্র বিস্ফোরক উদ্ধার সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে মীর তারেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ওসি আরও জানান, গুলিবিদ্ধ বাঁধন এখনো চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে আরএমপির মুখপাত্র উপ-কমিশনার (ডিসি) গাজীউর রহমান জানান, রাতে মীর তারেককে নয়, অন্য একজন আসামিকে ধরতে অভিযান করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। ওই আসামির নাম প্রকাশ করেননি মুখপাত্র।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক গত বছরের ৭ মার্চ নগরীর দড়িখড়বোনা এলাকায় বিএনপির দুইপক্ষের গুলি বিনিময় ও বোমা হামলার ঘটনায় গোলাম হোসেন নামের একজন অটোচালক নিহতের ঘটনায় গোলামের স্ত্রী পরীবানুর দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। কোনো জামিন ছাড়াই এতদিন স্বাভাবিক চলাফেরা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। এরই মধ্যে তার বাসায় দলীয় কর্মী বাঁধন গুলিবিদ্ধ হন।


আর এন টিভি বিডি

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ নাঈম সরকার রিফাত
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ধরতে পুলিশের বড় অভিযান, মবের ভয়ে পিছুটান
0:00 0:00
1.0x