(ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঘাটুরা এলাকায় এক মৎস্য খামারির পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে বিপুল পরিমাণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।
এতে ভুক্তভোগী খামারি হাসমত খন্দকারের প্রায়, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। ভুক্তভোগী খামারির দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহসীন খন্দকার এবং তার শ্যালক জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জুনায়েদ রাফি এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
হাসমত খন্দকার জানান, এর আগেও এই চক্রটি তার দুটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায়
১, কোটি টাকার মাছ নিধন করেছিল। ওই ঘটনার দায়েরকৃত মামলা যার (সি.আর নং-৯৮১/২০২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর) অভিযুক্ত মহসীন ও জুনায়েদকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
তাদের বিরুদ্ধে আদালতে আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব আসামি বর্তমান সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে গোপনে বৈঠক এবং ঝটিকা মিছিলের ইন্ধন জোগাচ্ছেন। সম্প্রতি ছাত্রলীগ নেতা জুনায়েদ রাফির পারিবারিক অনুষ্ঠানের নামে রাতের আঁধারে লোকসমাগম ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার গুরুতর অভিযোগও উঠেছে। এ ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে যুবলীগ নেতা মহসীন খন্দকার, তার স্ত্রী জেলা মহিলা লীগের সহ-সভাপতি সাম্মী এবং তার বড় বোন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা মহিলা লীগের সহ-সভাপতি সুমাইয়া আক্তার সক্রিয় রয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীর।
চিহ্নিত এসব অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী খামারি ও সচেতন এলাকাবাসী।
মতামত