স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালীর চাটখিলে রাতে অন্ধকারে মাহবুব আলম খোকন (৫৯) কে হত্যার উদ্দেশে রাতের গভীরে সাদ্দাম সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন ধারালো রামদা নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে হামলা চালিয়ে বসত ঘরের দরজা জানালা সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। খোকনের সোরচিৎকারে এলাকার লোকজন আসিয়া সাদ্দামকে রামদা সহ আটক করে পুলিশ সোর্পদ করেছে।
বুধবার বিকেলে আটককৃত আসামীকে নোয়াখালী আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে০১:৩০ মিনিটে উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়ন কড়িহাটি মিঝি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ সাদ্দাম (৩২), পিতা মৃত মানিক হোসেন, গ্রাম কড়িহাটি, চাটখিল, নোয়াখালী।
থানায় সুত্রে জানা যায়, সাদ্দাম উশৃঙ্খল, উগ্রমেজাজী, সন্ত্রাসী, দুষ্টু ও খারাপ প্রকৃতির মাদকাসক্ত ব্যক্তি
কড়িহাটি মাইজের বাড়ির মানিক হোসেন এর ছেলে। ২৯জুলাই রাত ০১:৩০ মিনিটের সময় সাদ্দাম সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন রামদা সহ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে মাহবুব আলম খোকন কে হত্যার উদ্দেশে বসত ঘরের দরজা জানালা সহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করলে, খোকনের সোরচিৎকারে এলাকার লোকজন আসিয়া সাদ্দামকে রামদা সহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
মাহবুব আলম খোকন বলেন আমার ছেলে ও পুত্রবধূ প্রবাসে থাকায় আমি দুই মেয়ে কে নিয়া আমার বসতবাড়িতে বসবাস করিয়া আসিতেছি। আমার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সাদ্দাম হোসেন সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন রাতের অন্ধকারে রামদাস ও দেশী অসসস্ত্র নিয়ে বসত বাড়ির ভিতরে ঢুকে আমার নাম ধরে চিৎকার করতেছে এবং আমার ঘরের দরজা জানালা সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। আমি চিৎকার করিলে আশেপাশের লোকজন আসিয়া তাকে ধারালো রামদা সহ আটক করে অন্যরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন সাদ্দাম হোসেন প্রকাশ্যে আমাকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য বিভিন্ন রকম হুমকি-ধমকি দিয়া বলে আইনের আশ্রয় নিলে এবং আমাকে ও আমার পরিবারের সকল কে হত্যা করে লাশ ঘুম গুম করে ফেলার হুমকি দেয়।
চাটখিল থানার ওসি (তদন্ত) দেবাশীষ সরকার বলেন সাদ্দামকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন বুধবার বিকেলে আসামীকে মারামারি ঘর ভাঙচুর মামলা আটক দেখিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
