ঢাকা    শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
আর এন টিভি বিডি

RN TV

রংপুরে চার খুন রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে


প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

রংপুরে চার খুন  রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে
রংপুরে চার খুন রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে

মনোয়ারুল ইসলাম রংপুর জেলা প্রতিনিধি 

রংপুর নগীর দাসপাড়া এলাকায় একই পরিবারের চারজন খুনের ‘ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ রাতের আঁধারে আলামত ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। বুধবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ীর ভেতর পানির লাইনের সুইচ অন করে দিয়ে ছাদের ওপর পানির ট্যাঙ্কি ওভার ফ্লো হয়ে ছাদটি পানিতে ডুবে যায়। এসময় ছাদের পানি নিচে গড়িয়ে পড়তে থাকে। এ কাজটি করেছেন ’ক্রাইম সিন’ বাড়ীটির নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল হালিম। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ছাদের ওপরে খুনিরা ইয়াবা সেবন করে গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। 

ছাদ থেকে পানি পড়ার শব্দে স্থানীয়রা ছুটে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা লুকোচুরি করতে থাকেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক সেখানে সংবাদকর্মীরা ছুটে যান। 

পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল হালিম সাংবাদিকেদর জানান, ‘আমি ক্রাইম সিন ঘরের ভেতর ঢুকেছিলাম বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ অন করে দেওয়ার জন্য কিন্তু ভুল করে পানির লাইনের সুইচ অন করে দিয়েছে। এ কারনে ছাদের ওপর পানি ট্যাঙ্কি ভরাট হয়ে পানি ওভার ফ্লো হয়ে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যায়। আমি পরবর্তিতে পানির লাইনের সুইচটি বন্ধ করে দেই।’

’ত্রাইম সিন’ বাড়ীর ভেতর গিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগের সুইচ অন করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েছেন কিনা প্রশ্নে তিনি কোন উত্তর দেননি। 

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে বাড়ীটি থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করার পর বাড়ীটি ’ক্রাইম সিন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাড়ীর ভেতর, বাইরে ও ছাদে রাতদিন সার্বক্ষনিক বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো থাকতো। বুধবার রাত আটটার দিকে হঠাৎ বাড়ীর বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ীটিতে বৈদ্যুতিক বাতির সুইচবোর্ড ও পানির লাইনের সুইচবোর্ড পৃথক স্থানে রয়েছে। 

তারা জানান, বাড়ীটির ছাদটি ক্রাইম সিন। সেখানে খুনিদের হাতের ছাপ রয়েছে এবং অন্যন্য আলামতও থাকতে পারে। এসব আলামত নষ্ট করতেই পুলিশ পুর্ব পরিকিল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হয়তো পুলিশ ছাদে পানি ভরার আগে কোন ধরনের মেডিসি স্প্রে করে থাকতে পারে। 

স্থানীয় অনেকেই বলছেন্, পুলিশের ধারনা ছিলো বৃষ্টি হবে। পুলিশ বৃষ্টির জন্য অপেক্ষাও করছিলো। অবশেষে বৃষ্টি না হওয়ায় ভুগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করে ক্রাইম সিনের ছাদটি পরিস্কার করেছে। 

গ্রেফতার যুবক সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘বাড়ীটির ছাদে খুনিদের হাতের ছাপ কিংবা অন্য আলামত রয়েছে। এটা নষ্ট করতেই পুলিশ রাতের আঁধারে ছাদে পানি ভরাট করেছে। আমার ভাই খুনি নয়। তাকে ফাঁসানো হয়েছে। গ্রেফতারের পর আমরা সিদ্ধার্থের সাথে দেখা করতে পারিনি, কথা বলতে পারিনি। সিদ্ধার্থকে সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলতে দেয়নি।’ ‘মঙ্গলবার গভীর রাতেও ওই বাড়ী থেকে অজানা লোক বেড়াতে দেখেছিলাম। তাদের গায়ে লাল জামা ছিলো। বুধবার রাতে পুলিশ পানি দিয়ে ছাদ ভরাট বরে। সিদ্ধার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আমাদের চোখে ঘুম নেই,’ তিনি বলেন।

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘সন্ধ্যায় বাড়ীটিতে বাতি জ্বলে ছিলো। গঠাৎ বাতি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বাড়ীটির ছাদ পানিতে ভরে যায়। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে রহস্য লুকাতে চাচ্ছে, আলামত নষ্ট করতে চাচ্ছে।’

এদিকে খবর পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) ওসি জিন্নাত আলী ও মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তীসহ অন্যন্য পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রাত ১১টায়। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মামলার বাদী ও নিহত গণপতি চক্রবর্তীর দাদা গোপিনাথ চক্রবর্তী জানান, ‘মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ীর উঠানে শ্রাদ্ধ করার জন্য অনুমতি নিতে হয়েছিলো পুলিশের কাছ থেকে। আমাদেরকে বাড়ীর ভেতর ঢুকতে দেওয়া হয়নি ‘ক্রাইম সিন’ বলে। বাড়ীটির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কেন বাড়ীর ভেতর গেল এবং পানির লাইনের সুইচ অন করলো। এখানে গোপন রহস্য রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান,’ মামলা সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি ছাড়া ক্রাইম সিনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। আমি স্যারের সাথে এসেছি। স্যার এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলবেন।’

ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তী জানান,’ ক্রাইম সিনের বাড়ীটির নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা ভুল করে বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ অন করতে গিয়ে পানির লাইনের সুইচ অন করেছে। ক্রাইম সিনে যেসকল আলামত পাওয়া গেছে আমরা সবগুলোই উদ্ধার করে সংরক্ষণ করেছি। এখানে আলামত ধ্বংস করার কোন বিষয় নেই।’

’এই বাড়ীটি এখন মালিক বিহীন। তাই পুলিশ এটি পাহারা দিয়ে রক্ষা করছে। পানিতে ছাদটি ভিজলেও শুকিয়ে গেছে। ঘরের ভেতর কোন পানি ঢুকেনি,’ তিনি দাবি করেন। 

শনিবার রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়া শুক্রবার ভোরে তাদেরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার ভোরে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবাবন্দি দিলেও তাদেরকে সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলতে দেওয়া হযনি।

বিষয় : রংপুরে চার খুন রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে

আর এন টিভি বিডি

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


রংপুরে চার খুন রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image


মনোয়ারুল ইসলাম রংপুর জেলা প্রতিনিধি 


রংপুর নগীর দাসপাড়া এলাকায় একই পরিবারের চারজন খুনের ‘ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ রাতের আঁধারে আলামত ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। বুধবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ীর ভেতর পানির লাইনের সুইচ অন করে দিয়ে ছাদের ওপর পানির ট্যাঙ্কি ওভার ফ্লো হয়ে ছাদটি পানিতে ডুবে যায়। এসময় ছাদের পানি নিচে গড়িয়ে পড়তে থাকে। এ কাজটি করেছেন ’ক্রাইম সিন’ বাড়ীটির নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল হালিম। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ছাদের ওপরে খুনিরা ইয়াবা সেবন করে গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। 

ছাদ থেকে পানি পড়ার শব্দে স্থানীয়রা ছুটে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা লুকোচুরি করতে থাকেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক সেখানে সংবাদকর্মীরা ছুটে যান। 


পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল হালিম সাংবাদিকেদর জানান, ‘আমি ক্রাইম সিন ঘরের ভেতর ঢুকেছিলাম বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ অন করে দেওয়ার জন্য কিন্তু ভুল করে পানির লাইনের সুইচ অন করে দিয়েছে। এ কারনে ছাদের ওপর পানি ট্যাঙ্কি ভরাট হয়ে পানি ওভার ফ্লো হয়ে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যায়। আমি পরবর্তিতে পানির লাইনের সুইচটি বন্ধ করে দেই।’

’ত্রাইম সিন’ বাড়ীর ভেতর গিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগের সুইচ অন করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েছেন কিনা প্রশ্নে তিনি কোন উত্তর দেননি। 


স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে বাড়ীটি থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করার পর বাড়ীটি ’ক্রাইম সিন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাড়ীর ভেতর, বাইরে ও ছাদে রাতদিন সার্বক্ষনিক বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো থাকতো। বুধবার রাত আটটার দিকে হঠাৎ বাড়ীর বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ীটিতে বৈদ্যুতিক বাতির সুইচবোর্ড ও পানির লাইনের সুইচবোর্ড পৃথক স্থানে রয়েছে। 

তারা জানান, বাড়ীটির ছাদটি ক্রাইম সিন। সেখানে খুনিদের হাতের ছাপ রয়েছে এবং অন্যন্য আলামতও থাকতে পারে। এসব আলামত নষ্ট করতেই পুলিশ পুর্ব পরিকিল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হয়তো পুলিশ ছাদে পানি ভরার আগে কোন ধরনের মেডিসি স্প্রে করে থাকতে পারে। 

স্থানীয় অনেকেই বলছেন্, পুলিশের ধারনা ছিলো বৃষ্টি হবে। পুলিশ বৃষ্টির জন্য অপেক্ষাও করছিলো। অবশেষে বৃষ্টি না হওয়ায় ভুগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করে ক্রাইম সিনের ছাদটি পরিস্কার করেছে। 


গ্রেফতার যুবক সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘বাড়ীটির ছাদে খুনিদের হাতের ছাপ কিংবা অন্য আলামত রয়েছে। এটা নষ্ট করতেই পুলিশ রাতের আঁধারে ছাদে পানি ভরাট করেছে। আমার ভাই খুনি নয়। তাকে ফাঁসানো হয়েছে। গ্রেফতারের পর আমরা সিদ্ধার্থের সাথে দেখা করতে পারিনি, কথা বলতে পারিনি। সিদ্ধার্থকে সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলতে দেয়নি।’ ‘মঙ্গলবার গভীর রাতেও ওই বাড়ী থেকে অজানা লোক বেড়াতে দেখেছিলাম। তাদের গায়ে লাল জামা ছিলো। বুধবার রাতে পুলিশ পানি দিয়ে ছাদ ভরাট বরে। সিদ্ধার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আমাদের চোখে ঘুম নেই,’ তিনি বলেন।

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘সন্ধ্যায় বাড়ীটিতে বাতি জ্বলে ছিলো। গঠাৎ বাতি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বাড়ীটির ছাদ পানিতে ভরে যায়। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে রহস্য লুকাতে চাচ্ছে, আলামত নষ্ট করতে চাচ্ছে।’

এদিকে খবর পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) ওসি জিন্নাত আলী ও মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তীসহ অন্যন্য পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রাত ১১টায়। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।


মামলার বাদী ও নিহত গণপতি চক্রবর্তীর দাদা গোপিনাথ চক্রবর্তী জানান, ‘মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ীর উঠানে শ্রাদ্ধ করার জন্য অনুমতি নিতে হয়েছিলো পুলিশের কাছ থেকে। আমাদেরকে বাড়ীর ভেতর ঢুকতে দেওয়া হয়নি ‘ক্রাইম সিন’ বলে। বাড়ীটির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কেন বাড়ীর ভেতর গেল এবং পানির লাইনের সুইচ অন করলো। এখানে গোপন রহস্য রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান,’ মামলা সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি ছাড়া ক্রাইম সিনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। আমি স্যারের সাথে এসেছি। স্যার এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলবেন।’


ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তী জানান,’ ক্রাইম সিনের বাড়ীটির নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা ভুল করে বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ অন করতে গিয়ে পানির লাইনের সুইচ অন করেছে। ক্রাইম সিনে যেসকল আলামত পাওয়া গেছে আমরা সবগুলোই উদ্ধার করে সংরক্ষণ করেছি। এখানে আলামত ধ্বংস করার কোন বিষয় নেই।’

’এই বাড়ীটি এখন মালিক বিহীন। তাই পুলিশ এটি পাহারা দিয়ে রক্ষা করছে। পানিতে ছাদটি ভিজলেও শুকিয়ে গেছে। ঘরের ভেতর কোন পানি ঢুকেনি,’ তিনি দাবি করেন। 


শনিবার রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়া শুক্রবার ভোরে তাদেরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার ভোরে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবাবন্দি দিলেও তাদেরকে সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলতে দেওয়া হযনি।


আর এন টিভি বিডি

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ নাঈম সরকার রিফাত
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আর এন টিভি
রংপুরে চার খুন রাতের আঁধারে ’ক্রাইম সিন’ থেকে পুলিশ কি আলামত ধ্বংস করতে চাচ্ছে
0:00 0:00
1.0x